1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
Title :
পটুয়াখালীতে মডেল মসজিদের ইমাম ও খাদেমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, তদন্তে প্রমাণ না পাওয়ায় বাদী গ্রেপ্তার পেশাগত উৎকর্ষ এবং সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে “রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক” ২০২৫( পিপিএম – সেবা) ভূষিত হয়েছেন রকিবুল আক্তার পুলিশ সুপার, পিবিআই, গাজীপুর বিমানের শৌচাগার থেকে ৬ কেজি ওজনের ৫০ টি স্বর্নের বার উদ্ধার! বরগুনার গৌরীচন্না ইউনিয়নের স্থানীয় প্রশাসন নাকে তেল দিয়ে ঘুমালেও চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী! মহিপুরে জায়গা দখল বাণিজ্য, দোকান বসিয়ে বছরে ৪০–৫০ হাজার টাকা ভাড়া আদায় কিন্তু দেখার কেউই নেই মিরপুরে মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠিন অবস্থানে ওসি শাহ আলী পটুয়াখালীতে ‘ইমরান ট্রাভেলস’ ও অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত- ৪ নীলফামারীতে পৃথক দুটি দূর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩ দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস পত্রিকায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় ফার্মাসিস্ট পলাশকে শোকজ বরগুনায় শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন ইয়াকুব!পুরস্কৃত আরও পাঁচ পুলিশ সদস্য!

পটুয়াখালীতে মডেল মসজিদের ইমাম ও খাদেমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, তদন্তে প্রমাণ না পাওয়ায় বাদী গ্রেপ্তার

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৬ Time View

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালী মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব সহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এনে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন জাহানারা নামে এক নারী। এদিকে মামলার তদন্তে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পরে ওই মামলার বাদী জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর পটুয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন জাহানারা বেগম (৬৩)। মামলাটি ৮৬৪/২০২৫ নম্বরে নথিভুক্ত হয়। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর (২০০৩ সালের সংশোধনীসহ) ৯(৪) (খ) ও ৩০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

মামলার এজাহার ও নথি অনুযায়ী, জাহানারা বেগমের ১২ বছর বয়সী নাতনি নাইমা রাবেয়া পটুয়াখালী মডেল মসজিদে আরবি পড়তে যেত। ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে তাকে মক্তবের পাশের একটি স্টোররুমে নিয়ে গিয়ে মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব তানভীর হোসেন, খাদেম সাব্বির ও আহমাদুল্লাহ ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন জাহানারা বেগম।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং কয়েকদিন চিকিৎসাধীন রাখা হয়। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। এরপর আদালতে মামলা করেন জাহানারা বেগম। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্তভার পায় পিবিআই।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। তদন্তে বাদীর করা অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বাদীর নাতি নিজ ইচ্ছায় মডেল মসজিদে গিয়েছিল এবং পরে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে মামলায় ধর্ষণের যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তদন্তে তার সমর্থনে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে জাহানারা বেগম বলেন, চুরির অপবাদে আমার দুই নাতিকে আটকে রাখা হয়েছিল। এজন্য আমি মামলা করেছি।

মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব তানভীর হোসেন বলেন, মডেল মসজিদের বিভিন্ন মালামাল চুরি হচ্ছিল। স্থানীয় মুসল্লিদের সহযোগিতায় জাহানারা বেগমের নাতিকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়। পরে তার বয়স কম হওয়ায় পুলিশ মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এর কিছুদিন পরই তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণের মামলা করা হয়। পরে পিবিআই তদন্ত করে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি।

তিনি আরও বলেন, এই মামলার কারণে আমরা দীর্ঘদিন হয়রানির শিকার হয়েছি। ভবিষ্যতে যেন কেউ মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা মূলত একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। পরোয়ানাটি পর্যালোচনা করে জানতে পেরেছি, তিনি ওই মামলার বাদী এবং তার বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved