1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
Title :
মহিপুরে জায়গা দখল বাণিজ্য, দোকান বসিয়ে বছরে ৪০–৫০ হাজার টাকা ভাড়া আদায় কিন্তু দেখার কেউই নেই মিরপুরে মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠিন অবস্থানে ওসি শাহ আলী পটুয়াখালীতে ‘ইমরান ট্রাভেলস’ ও অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত- ৪ নীলফামারীতে পৃথক দুটি দূর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩ দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস পত্রিকায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় ফার্মাসিস্ট পলাশকে শোকজ বরগুনায় শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন ইয়াকুব!পুরস্কৃত আরও পাঁচ পুলিশ সদস্য! নানা আয়োজনে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষীকি পালিত গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের গলায় ফাঁ*স দেওয়া মরদেহ উদ্ধার! বরগুনায় ছাত্রের মা’কে কুপ্রস্তাব; রাজি না হওয়ায় পিটিয়ে জখমের অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে সারা দেশের ন্যায় মিরপুর জোনের বন্ধুদের উদ্যোগে দি ইনভিন্সিবল ৯/১১ লিজেন্ডারি ব্যাচের ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

মহিপুরে জায়গা দখল বাণিজ্য, দোকান বসিয়ে বছরে ৪০–৫০ হাজার টাকা ভাড়া আদায় কিন্তু দেখার কেউই নেই

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৩ Time View

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন সদর ইউনিয়ন ও আলিপুর বাজার এলাকায় ব্রিজের নিচে এবং জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখল করে একের পর এক দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব দোকান নির্মাণের পর প্রতি দোকান ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। আবার দোকান বসিয়ে দেওয়া হলে সেখান থেকেও বছরে সর্বনিম্ন ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহিপুর এলাকায় এভাবে প্রায় ১২০ থেকে ২০০টি দোকান বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারি জায়গা ও সড়কের পাশের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণের কারণে সংকুচিত হয়ে পড়েছে চলাচলের পথ। এতে পথচারী ও যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে যানজট ও নানা ধরনের ভোগান্তি।

অভিযোগ রয়েছে, এসব অবৈধ দোকান একাধিকবার উচ্ছেদ করা হলেও কিছুদিন পরই আবার একই জায়গায় দোকান বসানো হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, উচ্ছেদের পর পুনরায় দোকান বসানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কিছু অসাধু ব্যক্তি বা কর্মকর্তার সহযোগিতা রয়েছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একদিকে সরকারি বা জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গায় দোকান নির্মাণ করে তা ৬০–৮০ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ, অন্যদিকে একই জায়গায় দোকান বসিয়ে বছরে ৪০–৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ—সবকিছুই যেন প্রকাশ্যেই চলছে। অথচ বিষয়টি দেখার যেন কেউই নেই।

প্রশ্ন উঠেছে—সরকারি জায়গা কিংবা জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখল করে দোকান নির্মাণ ও বিক্রি করার সুযোগ কীভাবে তৈরি হচ্ছে? এসব দোকান থেকে বছরে লাখ লাখ টাকা ভাড়া আদায় হলে সেই অর্থ যাচ্ছে কোথায়? উচ্ছেদের পর একই স্থানে আবার দোকান বসছে কীভাবে?

এবিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অবৈধ স্থাপনা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি শুধু তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে দোকান নির্মাণ, বিক্রি ও ভাড়া আদায়ের সঙ্গে কারা জড়িত এবং উচ্ছেদের পর কার সহযোগিতায় পুনরায় দোকান বসছে—তা খতিয়ে দেখা হোক।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরকারি জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ, লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য—আর সাধারণ মানুষ পোহাবে ভোগান্তি; এ অবস্থার অবসান কবে?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved