1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
Title :
দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে কলাপাড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী ত্রান নয়, টেকসই বেড়িবাঁধ ও সাইক্লোন শেল্টার চাই’ উপকূলবাসীর প্রাণের দাবি গাইবান্ধা সাদুল্লাপুরে ডলার প্রতারক চক্রের মূল হোতা নুরু মন্ডল গ্রেপ্তার ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ডুবে গেছে দক্ষিণ অঞ্চল, উপকূলীয় ১৯টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ লাখ মানুষ ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কলাপাড়ায় ১৫৫ আশ্রয় কেন্দ্র ও ২০ মুজিব কেল্লা প্রস্তুত ঘনঘন লোডশেডিং হওয়ায় সাধারণ মানুষের অস্বস্তি বালাসীঘাটে নৌকা থেকে পড়ে কামরুজ্জামান ১৮ নামে এক যুবক নিঁখোজ খেলা হবে সেই ভাইরাল বক্তব্যে বাউফলে খেলেই দিল এমপি গ্রুপ প্যানেল কটিয়াদী উপজেলা নির্বাচনে নতুন দুটি মুখের জয়লাভ গাইবান্ধা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান

বাউফলে এসএসসি পরিক্ষায় পাশ করা শিক্ষার্থীদের মার্কশিটসহ প্রশংসাপত্র আটকিয়ে টাকা আদায়

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১২ Time View

এম জাফরান হারুন, নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী::

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করা শিক্ষার্থীদের মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র আটকিয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চারশ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এনিয়ে অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মার্কশিট ও প্রশংসাপত্রের জন্য টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী শিরিন বলেন, শিক্ষক সমিতি থেকে মার্কশিটের জন্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কালাইয়া হায়াতুন্নেসা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও অন্যান্য বিদ্যালয় ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। আমার প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের বিষয় বিবেচনা করে ৪০০ টাকা করে নিচ্ছি।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১২০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪০০ টাকা করে আদায় করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তির জন্য বাধ্য হয়ে ধার্যকৃত টাকা দিয়ে মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র নিচ্ছে। বিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পুরোনো হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করা একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ‘তাদের কাছ থেকে চারশ টাকা নেওয়া হয়েছে।

তাদের বলা হচ্ছে এটা সংরক্ষণ ফি বাবদ লাগবে। তবে টাকা নেওয়ার কোনো রিসিভ চাইলে দিতে অস্বীকৃতি জানায় বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। টাকা ছাড়া কাউকে মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দেওয়া হয় না।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুনতাসির তাসরিপ বলেন, আমাদের সময়ও মার্কশিট ও প্রশংসা পত্রের জন্য টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে আমরা ভয়ের কারণে প্রতিবাদ করতে পারিনি। জুনিয়রদের কাছে জেনেছি এ বছরও ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক অভিভাবক বলেন, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী এ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি এখন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আমরা এই অবস্থা থেকে রেহাই পেতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক বলেন, মার্কশিটের জন্য কোনো টাকা নেওয়ার বিধান নেই। কোনো শিক্ষার্থী লিখিত অভিযোগ করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং